মোঃ মুজাহিদুল ইসলামঃ
গাজীপুরের কালীগঞ্জের উলুখোলা, পাড়াবর্তা এলাকার পূর্বাচলে বায়না সূত্রে ক্রয়কৃত প্লট রেজিষ্ট্রি নিতে চাইলে জুয়েল মিয়া নামে এক ভূক্তভোগী প্রবাসীকে অপহরণের মামলা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। সন্ত্রাসীদের নানা ধরণের হুমিক-ধমকিতে প্রাণ বাঁচাতে ঐ প্রবাসী বর্তমানে টঙ্গী আরিচপুর বৌবাজার এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন।
এঘটনায় প্রবাসী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু বিচার চেয়ে শনিবার(৪ ঠা এপ্রিল) বিকেলে টঙ্গী স্টেশনরোডে একটি রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মলেন করেন। এসময় লিখিত বক্তব্যে ভূক্তভোগী জুয়েল মিয়া বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ দুবাই প্রবাসী। প্রবাস জীবনে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তিনি কালীগঞ্জের পারাবর্তা এলাকার মিনারা বেগম গংদের কাছ থেকে পূর্বাচল ১৫ ও ২৮নং সেক্টরে দুটি প্লট ১কোটি ৭লাখ টাকা দিয়ে বায়না দলিল করেন। পরে প্লট দুটি রেজিষ্ট নিতে গেলে মিনারা বেগমের ছেলে শরীফ মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এমনকি ভূক্তভোগী এলাকায় গেলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। সন্ত্রাসী শরীফ মিয়া নিজেকে বিএনপির নেতা পরিচয় দিয়ে প্লট দুটি নিজের নামে রেজিষ্ট্রি করার পায়তারা করে আসছেন। এক পর্যায়ে শরীফ মিয়া কালীগঞ্জ থানায় জুয়েল মিয়ার নামে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
ভূক্তভোগী জুয়েল মিয়া কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার বিনিয়োগকৃত টাকা আত্মসাত করার জন্য মিনারা বেগমের ছেলেরা সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাব আমাকে অপহরণ মামলায় জড়িয়েছে। কালিগঞ্জ থানার ওসি এবং উপপরিদর্শক জামাল কেন তদন্ত ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেন? যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ,গাজীপুর জেলা প্রশাসক, গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও পুলিশ সুপার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভূক্তভোগী জুয়েল মিয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবং প্রশাসনের কাছে আবেদন করেন যে এই মামলাটি সুষ্ঠ তদন্ত করা হোক,যারা মিথ্যা মামলা দিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হোক । আমাকে মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক।সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এলাকাবাসী আরিফ হোসেন, মাহবুব, মীম আক্তার, আসকর আলী, রাবেয়া খাতুন, মারুফ, জাহিদুল, মকবুল, তমি মিয়া, এরশাদ মিয়া, মহসিন ভূইয়া, আরিফ প্রমুখ।
Leave a Reply