এম, এ কাশেম, বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
উত্তর চট্টগ্রামের মীরসরাই বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা পাওয়ারের দম্ভোক্তিতে কাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে চায়? বিগত ১৭ বছর যাদের কারণে হাজারো সাধারণ নেতা কর্মীরা ঘর/বাসা-বাড়ি ফেলে ঝোঁপ জঙ্গল এবং নদীর ধারে নির্ঘুম রাত কাটাতে বাধ্য হতে হয়েছিলো তাদেরকে? যাদের কারণে নিজের মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে বিভষ্যিক অত্যাচার- নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিলো তাদেরকে ? এবং যাদের কারণে পুলিশের গ্রেপ্তার-হয়রানীর শিকার হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর জীবন থেকে হারিয়ে ফেলতে হয়েছিললো তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দেয়ার নির্লজ্জলতায় গা ভাষাতে চাইতেছে বর্তমান বিএনপি’র রাজনীতিতে থাকা কিছু নেতা নামধারী সুবিধাবাদীরা?
ওই সব সুবিধাবাদী নেতা নামধারীদেরকে ভুলে গেলে চলবে না-
বিগত ১৭ বছর দল নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মীদের মধ্যে যারা ঘর-বাসা/বাড়ি ছেড়ে ঝোঁপ জঙ্গলে রাত কাটিয়েছিলেন, পুলিশের গ্রেপ্তার-হয়রানীতে জীবন হয়ে উঠেছিলো অতিষ্ঠ, হামলা-মামলা এবং অত্যাচার- নির্যাতনের স্টিমরোলারের নিচে চাপা পড়ে ও বিএনপি’র রাজনীতি থেকে বিন্দু মাত্র ও বিচ্যুত হয়নি তারা এখনো আছে। হয়তো বা সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও তারা এখনো নিগৃহীত।দলকে ভালোবাসার প্রতিদানে তারা অতীতে যে ভাবে দলের পতাকা আগলে ধরে রেখেছিলো তারা কিন্তু, এখনো দলের পতাকা আগলে ধরে রাখতে প্রস্তুত রয়েছে।
সুতরাং, দলের এখন সু’সময় ভেবে দলকে নিয়ে কানামাছি খেলার চেষ্টা করলে ওই সব নেতা কর্মীরা তাদেরকে শায়েস্তা করতে বদ্ধ পরিকর।
দলের মধ্যে থেকে বিগত ১৭ বছর কে, কতোটুকু করেছে দলের জন্য তা দলীয় পত্রিকার সাংবাদিক হওয়ার অপরাধে চরম নির্যাতনের হওয়ার পর ও রাস্তা, মাঠ-ঘাট ছেড়ে না যাওয়া একজন দল প্রেমি এবং দলীয় পত্রিকা দৈনিক দিনকাল এর সাংবাদিক হিসেবে কার, কতোটুকু অবদান দলের জন্য ছিলো তার একটু আধটু দেখেছিলেন এ প্রতিবেদক।
আর সেই নিরিখে বলা হচ্ছে- আগে নিজে স্বচ্ছ থেকে যে বা যারা বিগত ১৭ বছর না থেকে ও এখন সুযোগ সন্ধানী হয়ে বিএনপি’র ভিতর ঢুকে বিগত ১৭ বছরের যাতনাকারীদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাস্তা, মাঠ-ঘাট সহ সর্বোত্র জায়গা করে দেয়ার চেষ্টা করছে এবং করবে তাদের জন্য বিগত ১৭ বছর রাজপথে থাকার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শ্রম এবং ঘাম কাজে লাগাতে প্রস্তুত রয়েছে দলের অসংখ্য নিবেদিত প্রাণ নেতা কর্মী।
অত্যন্ত ক্ষোভের সহিত ওই রকম বাস্তব সম্মত কথাগুলোর সঙ্গতি প্রকাশ করে বলেছেন মীরসরাই পৌরসভা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক, বিগত ১৭ বছর হামলা-মামলা সহ নানাবিধ: অত্যাচার- নির্যাতনের শিকার মোঃ ফরহাদ হোসাইন তুহিন।
শুধু মাত্র একজন সেচ্ছাসেবক দল নেতা তুহিন-ই মীরসরাই উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভায় দলের মধ্যে থাকা ওই রকম হাজারো তুহিন রয়েছে তারা দলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বিগত ১৭ বছরের মতো এখনো যে কোনো কিছু করতে প্রস্তুত রয়েছে। অনেকেই আবার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন- যারা বিগত ১৭ বছর দুঃসময়ের কালো অধ্যয়ন সৃষ্টি করে সমগ্র মীরসরাইকে অশান্ত করেছিলো, যাদের হাতে চরম অত্যাচার- নির্যাতনের শিকার হতে হতে হয়েছিলো বিএনপি’র হাজার হাজার সাধারণ নেতা কর্মীকে তাদেরকে যে ডা যারা বোগলে রেখে চলার চেষ্টা করবে আগে
তাদের কে পিটাতে হবে।এবং পিটানোর জন্য একটা কমিটি ও করার প্রয়োজন রয়েছে বলে ও মতপ্রকাশ করে ষন বিএনপি’র জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগী একাধিক নেতা কর্মী।
তারা মনে করেন, নেতা নামধারী আজকে যারা রাস্তায় মিছিলে অগ্রভাগে থাকার প্রতিযোগীতা চালায় এবং যারা বিভিন্ন সভার মঞ্চে চেয়ার দখল করে নেতাগিরি দেখানোর প্রতিযোগীতায় মত্ত থাকে বিগত ১৭ বছর দলের জন্য তাদের কি ভুমিকা ছিলো তা খতিয়ে দেখতে হবে।বিগত ১৭ বছর যাদের কোনো অবদান ছিলো না তাদেরকে এখন থেকে বয়কট করতে হবে।
আর যারা নবনির্বাচিত এমপি এবং অন্যান্য দায়িত্ববান নেতাদের জন্য ফুল নিয়ে দৌড়াবে তাদেরকে থামিয়ে দিতে হবে। এ ছাড়া- ওই সব দোষী ব্যাক্তিদের আগে তাদেরকে দোষী করতে হবে, যারা তাদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে বোগলতলে রেখে দলের বারোটা বাজাচ্ছে।
উপরোক্ত বিষয়ে প্রথমে দল মনোনীত হয়ে নবনির্বাচিত এমপি নুরুল আমিন কে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। এবং এর পাশাপাশি দলের দায়িত্ব পালন করে যাওয়া নের্তৃবৃন্দ ও ব্যবস্থা গ্রহন করে দল টিকিয়ে রাখার জন্য প্রদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন দলের নিবেদিত প্রাণ অনেক নেতা কর্মীরা।
Leave a Reply